Posts

কুইজ জেনারেটর

If you need pdf note please contact me over messenger.

অধ্যায় ৯: বর্তনী ও চলবিদ্যুৎ

অষ্টম শ্রেণী বিজ্ঞান - বর্তনী ও চলবিদ্যুৎ কুইজ অষ্টম শ্রেণি: বিজ্ঞান (বর্তনী ও চলবিদ্যুৎ) ২০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও গাণিতিক সমস্যাবলীর চ্যালেঞ্জ কুইজ শুরু করুন সময়: 00:00 আগেরটি পরেরটি সബ്‌মিট ফলাফল বিশ্লেষণ আবার চেষ্টা করুন

পিরিয়ড ও ফার্টিলিটি ক্যালকুলেটর

পিরিয়ড ও ফার্টিলিটি ক্যালকুলেটর পিরিয়ড ও ফার্টিলিটি ক্যালকুলেটর সর্বশেষ পিরিয়ড শুরুর তারিখ: পিরিয়ড চক্রের স্থায়িত্ব (দিন): সাধারণত স্বাভাবিক চক্র ২৮ দিনের হয় (২১-৩৫ দিন স্বাভাবিক)। হিসাব করুন আপনার সম্ভাব্য ফলাফল: গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা ও নিয়মাবলি ১. পিরিয়ডের সময় সহবাস থেকে বিরত থাকার কারণ: পিরিয়ড বা রক্তস্রাবের দিনগুলোতে শারীরিকভাবে সহবাস করা থেকে বিরত থাকা উচিত। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, এই সময়ে জরায়ুর মুখ উন্মুক্ত থাকে এবং রক্তের কারণে সংক্রমণ বা ইনফেকশনের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। ধার্মিক ও স্বাস্থ্যগত উভয় দিক থেকেই এই সময়ে সহবাস অনুচিত। ২. গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি থাকার দিন (Fertile Window): সাধারণত পরবর্তী পিরিয়ড শুরুর ঠিক ১৪ দিন আগে ওভারি বা ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু নির্গত হয় (ওভুলেশন)। ডিম্বাণু ২৪ ঘণ্টা জীবিত থাকে এবং শুক্রাণু নারীর শরীরে ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত জীবিত ...

সপ্তম অধ্যায়: গ্যাসীয় বিনিময় (class 10)

সপ্তম অধ্যায়: গ্যাসীয় বিনিময় (Gaseous Exchange) ১. গ্যাসীয় বিনিময় কী? সংজ্ঞা: জীবদেহ ও পরিবেশের মধ্যে অক্সিজেন (O₂) এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) গ্যাসের আদান-প্রদান প্রক্রিয়াকে গ্যাসীয় বিনিময় বলে। সহজভাবে: পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ + দেহ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ = গ্যাসীয় বিনিময় ২. গ্যাসীয় বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তা জীবদেহের কোষে শক্তি উৎপাদনের জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। কোষীয় শ্বসনে: গ্লুকোজ + অক্সিজেন ↓ কার্বন ডাই-অক্সাইড + পানি + শক্তি (ATP) তাই: অক্সিজেন গ্রহণ করতে হয়। কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করে দিতে হয়। ৩. শ্বসন ও গ্যাসীয় বিনিময়ের সম্পর্ক অনেকে শ্বসন ও গ্যাসীয় বিনিময়কে একই মনে করে, কিন্তু দুটি ভিন্ন বিষয়। গ্যাসীয় বিনিময়: O₂ ও CO₂-এর আদান-প্রদান। শ্বসন: কোষের ভিতরে খাদ্য ভেঙে শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া। সম্পর্ক: গ্যাসীয় বিনিময় ↓ অক্সিজেন সরবরাহ ↓ কোষীয় শ্বসন ↓ ATP উৎপাদন ৪. জীবের গ্যাসীয় বিনিময়ের পদ্ধতি বিভিন্ন জীব বিভিন্নভাবে গ্যাস বিনিময় করে। ১. এককোষী জীব যেমন: অ্যামিবা এদের দেহ খুব ছোট হওয়ায় সরাসরি বিসরণের (Diffusion) মাধ্যমে গ্যাস বিনিময় হয়। বিসরণ (Diffusion) সংজ্ঞা: কোনো পদার্থের ...

ষষ্ঠ অধ্যায়: জীবের পরিবহন (class 10)

ষষ্ঠ অধ্যায়: জীবের পরিবহন (Transport in Organisms) এই অধ্যায়ে আমরা জানব: জীবদেহে পরিবহনের প্রয়োজনীয়তা উদ্ভিদের পরিবহন ব্যবস্থা প্রাণীর রক্ত সংবহন ব্যবস্থা রক্ত ও রক্তের উপাদান হৃদপিণ্ডের গঠন ও কাজ রক্তনালির ধরন লসিকা তন্ত্র ১. জীবের পরিবহন (Transport) কী? সংজ্ঞা: জীবদেহের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে প্রয়োজনীয় পদার্থ পরিবহন করার প্রক্রিয়াকে পরিবহন বলে। জীবদেহে বিভিন্ন পদার্থ যেমন: পানি খনিজ লবণ খাদ্য অক্সিজেন কার্বন ডাই-অক্সাইড বর্জ্য পদার্থ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবাহিত হয়। ২. জীবদেহে পরিবহনের প্রয়োজনীয়তা বহুকোষী জীবের দেহে অসংখ্য কোষ থাকে। প্রতিটি কোষের কাছে সরাসরি পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় পদার্থ পৌঁছানো সম্ভব নয়। তাই পরিবহন ব্যবস্থা প্রয়োজন। পরিবহনের প্রধান কাজ: ১. অক্সিজেন সরবরাহ কোষীয় শ্বসনের জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। পরিবহন ব্যবস্থা: ফুসফুস থেকে অক্সিজেন কোষে পৌঁছে দেয়। ২. খাদ্য পরিবহন পরিপাকের পর তৈরি খাদ্য: ক্ষুদ্রান্ত্র → রক্ত → বিভিন্ন কোষে পৌঁছে যায়। ৩. বর্জ্য অপসারণ কোষে উৎপন্ন: কার্বন ডাই-অক্সাইড অন্যান্য বর্জ্য দেহ থেকে বের করার জন্য পরিবহন প্রয়োজন। ৩. উদ্ভিদের পরিবহন ব্যবস্...

পঞ্চম অধ্যায়: খাদ্য, পুষ্টি এবং পরিপাক (class 10)

১. খাদ্য (Food) খাদ্যের সংজ্ঞা যেসব পদার্থ গ্রহণের মাধ্যমে জীবদেহ শক্তি পায়, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করে এবং জীবনধারণের প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে তাকে খাদ্য বলে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য অপরিহার্য। ২. খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা জীবদেহে খাদ্যের প্রধান কাজ: ১. শক্তি সরবরাহ খাদ্যের শর্করা ও চর্বি ভেঙে শক্তি উৎপন্ন হয়। এই শক্তি ব্যবহৃত হয়: চলাফেরা শারীরিক কাজ কোষীয় কাজ ২. দেহের বৃদ্ধি প্রোটিন দেহের নতুন কোষ ও টিস্যু তৈরিতে সাহায্য করে। বিশেষ করে: শিশুদের বৃদ্ধি ক্ষত নিরাময় ৩. ক্ষয়পূরণ দেহের পুরোনো ও ক্ষতিগ্রস্ত কোষের পরিবর্তে নতুন কোষ তৈরি করতে খাদ্যের প্রয়োজন। ৪. রোগ প্রতিরোধ ভিটামিন ও খনিজ লবণ দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৩. পুষ্টি (Nutrition) সংজ্ঞা: খাদ্য গ্রহণ, পরিপাক, শোষণ এবং দেহে ব্যবহার করার সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে পুষ্টি বলে। অর্থাৎ: খাদ্য গ্রহণ ↓ পরিপাক ↓ শোষণ ↓ ব্যবহার এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াই পুষ্টি। ৪. পুষ্টি উপাদান (Nutrients) খাদ্যের মধ্যে থাকা প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উপাদানকে পুষ্টি উপাদান বলে। প্রধান পুষ্টি উপাদান: ১. শর্করা (Carbohydrate) ২. প্রোটিন (Protein) ৩. চর্বি (Fat) ৪....

চতুর্থ অধ্যায়: জীবনীশক্তি (class 10)

চতুর্থ অধ্যায়: জীবনীশক্তি (Bioenergetics) ১. জীবনীশক্তি (Bioenergetics) কী? সংজ্ঞা: জীবদেহে সংঘটিত বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তির উৎপাদন, রূপান্তর ও ব্যবহারের প্রক্রিয়া নিয়ে জীববিজ্ঞানের যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে জীবনীশক্তি (Bioenergetics) বলে। সহজ ভাষায়: জীব কীভাবে শক্তি গ্রহণ করে, তৈরি করে এবং ব্যবহার করে—তার অধ্যয়নই জীবনীশক্তি। ২. জীবদেহে শক্তির প্রয়োজনীয়তা জীবের প্রতিটি কাজের জন্য শক্তি প্রয়োজন। যেমন: ১. বৃদ্ধি (Growth) নতুন কোষ তৈরি দেহের আকার বৃদ্ধি ২. চলন (Movement) পেশির সংকোচন ও প্রসারণ ৩. বিপাকীয় কাজ (Metabolism) খাদ্য ভাঙা নতুন পদার্থ তৈরি ৪. পরিবহন কোষের ভিতরে বিভিন্ন পদার্থ চলাচল ৫. প্রজনন নতুন জীব সৃষ্টির জন্য শক্তি প্রয়োজন ৩. ATP: জীবদেহের শক্তির মুদ্রা ATP এর পূর্ণরূপ: Adenosine Triphosphate ATP হলো জীবকোষের প্রধান শক্তিবাহক অণু। বইয়ে ATP-কে জীবনীশক্তির প্রধান উৎস হিসেবে আলোচনা করা হয়েছে। ATP এর গঠন ATP তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত: ১. অ্যাডেনিন (Adenine) নাইট্রোজেনযুক্ত ক্ষারক ২. রাইবোজ শর্করা (Ribose sugar) পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট শর্করা ৩. তিনটি ফসফেট গ্রুপ (Phos...

তৃতীয় অধ্যায়: কোষ বিভাজন (class 10)

তৃতীয় অধ্যায়: কোষ বিভাজন (Cell Division) ১. কোষ বিভাজনের ধারণা কোষ বিভাজন কী? যে প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষ (Mother cell) বিভক্ত হয়ে এক বা একাধিক নতুন কন্যা কোষ (Daughter cell) তৈরি করে তাকে কোষ বিভাজন বলে। সহজ ভাষায়: একটি কোষ → বিভাজন → নতুন কোষ সৃষ্টি কোষ বিভাজনের মাধ্যমে: জীবের বৃদ্ধি ঘটে ক্ষতস্থান পূরণ হয় নতুন কোষ তৈরি হয় জীবের বংশবিস্তার সম্ভব হয় ২. কোষ বিভাজনের প্রয়োজনীয়তা জীবদেহে কোষ বিভাজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। (ক) জীবের বৃদ্ধি একটি শিশু জন্মের সময় ছোট থাকে। পরবর্তীতে তার দেহের আকার বৃদ্ধি পায়। এর প্রধান কারণ: নতুন নতুন কোষ তৈরি হওয়া পুরোনো কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া (খ) ক্ষত নিরাময় আমাদের শরীরে কোনো অংশ কেটে গেলে নতুন কোষ তৈরি হয়ে ক্ষতস্থান পূরণ করে। উদাহরণ: ত্বকের ক্ষত শুকানো (গ) পুরোনো কোষের পরিবর্তন দেহের অনেক কোষ নির্দিষ্ট সময় পর নষ্ট হয়ে যায়। কোষ বিভাজনের মাধ্যমে: পুরোনো কোষের পরিবর্তে নতুন কোষ তৈরি হয়। (ঘ) জীবের প্রজনন এককোষী জীবের ক্ষেত্রে কোষ বিভাজনই নতুন জীব সৃষ্টি করে। উদাহরণ: অ্যামিবা ব্যাকটেরিয়া ৩. কোষ বিভাজনের প্রকারভেদ কোষ বিভাজন প্রধানত দুই ধরনের: ১. মাইটোসিস (Mito...

Pages

Translate

আপনিও লিখুন

Name

Email *

Message *



animated-world-globe-image-0029Total view web counter

পড়াশোনাতে আপনাকে স্বাগতম
ডাউনোড করুন আমাদের Mobile app;