জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি
অষ্টম শ্রেণি - বিজ্ঞান (অধ্যায় ২) | পূর্ণাঙ্গ স্মার্ট নোট
১. কোষ বিভাজন ও প্রয়োজনীয়তা
একটি কোষ থেকে দুই বা ততোধিক নতুন কোষ সৃষ্টির প্রক্রিয়াই হলো কোষ বিভাজন।
কেন এটি প্রয়োজন?
🚀 দৈহিক বৃদ্ধি | 🩹 ক্ষতপূরণ | 🌱 বংশবিস্তার | 🧬 তথ্য বাহন
🚀 দৈহিক বৃদ্ধি | 🩹 ক্ষতপূরণ | 🌱 বংশবিস্তার | 🧬 তথ্য বাহন
২. কোষ বিভাজনের প্রকারভেদ
(ক) অ্যামাইটোসিস (সরল বিভাজন)
নিউক্লিয়াস কোনো মাধ্যম ছাড়াই সরাসরি দুই ভাগে বিভক্ত হয়।
ব্যাকটেরিয়া অ্যামিবা ইস্ট(খ) মাইটোসিস (সমীকরণিক বিভাজন)
মাতৃকোষ ও অপত্য কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা সমান থাকে। এটি উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঞ্চল ও প্রাণীর দেহকোষে ঘটে।
| ধাপ | মূল ঘটনা |
|---|---|
| প্রোফেজ | ক্রোমোজোম দৃশ্যমান হয়, স্পিণ্ডল তন্তু গঠন শুরু। |
| মেটাফেজ | ক্রোমোজোম বিষুবীয় অঞ্চলে (মাঝখানে) থাকে। |
| অ্যানাফেজ | ক্রোমাটিডগুলো বিপরীত মেরুতে যাত্রা করে। |
| টেলোফেজ | দুটি নতুন নিউক্লিয়াস ও কোষ গঠিত হয়। |
(গ) মিয়োসিস (হ্রাসমূলক বিভাজন)
ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়। এটি জননকোষ (গ্যামেট) তৈরির সময় ঘটে।
শুক্রাণু ডিম্বাণু পরাগরেণু৩. বংশগতির মূল ভিত্তি
DNA: জিনের প্রধান রাসায়নিক উপাদান। এটি ডাবল হেলিক্স (দ্বিসূত্রক)।
জিন: DNA-এর অংশ যা মানুষের বৈশিষ্ট্য (চোখের রং, চুল) নিয়ন্ত্রণ করে।
৪. গুরুত্বপূর্ণ শব্দকোষ
| জাইগোট | নিষেকের ফলে সৃষ্ট প্রথম কোষ (2n)। |
| ক্রসিং ওভার | মিয়োসিসে জিনের বিনিময়, যা বৈচিত্র্য আনে। |
| হ্যাপ্লয়েড | এক সেট ক্রোমোজোম (n)। |
৫. মনে রাখার টিপস
- দেহকোষ বৃদ্ধি = মাইটোসিস
- জনন কোষ সৃষ্টি = মিয়োসিস
- বংশগতির ধারক = DNA ও জিন
- মানুষের ক্রোমোজোম = ২৩ জোড়া (৪৬টি)
Comments
Post a Comment
Thanks